
বংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত মধু হচ্ছে সরিষাফুলের মধু।

সরিষাফুলের মধুর প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য:

ঘ্রান অনেকটা সরিষাফুলের সাথে মিল পাওয়া যায়।

তাজা মধু এক্সট্রা লাইট আম্বার কালার হয় এবং ধীরে ধীরে সময়ের সাথে ডীপ কালার হতে থাকে।

মধু জমে গেলে সাদা কালার ধারন করে।

মধুর পি এইচ মান ৩.৯৩ এবং ব্রিক্স মান ৮০.৮০

সরিষাফুলের মধু ঘন হোক বা পাতলা হোক তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে সম্পূর্ণ মধু বা বেশিরভাগ মধু জমে সাদা হয়ে যায়।

জমা মধু অনেকের কাছে খুব পছন্দের আবার কেউ কেউ অপছন্দ ও করেন।

জমা মধু তরল করার পদ্ধতি :

মধু জমে গেলে মধুর বোতলটি ২০/৩০ মিনিট মিডিয়াম গরম পানিতে রাখুন। ধীরে ধীরে জমা মধু তরল হয়ে যাবে। আপনি চাইলে জমা মধুও খেতে পারেন।

সিজন শেষ হওয়ার পর এই অফার আর পাবেন না।

তাই দেরি না করে এক্ষনি আপনার অর্ডারটি কনফার্ম করুন।
ডেলিভারি চার্জঃ
✅ঢাকা সিটির বাহিরে ১২০ টাকা
✅ঢাকা সিটিতে ৭০ টাকা